Home / Blogging / একটা ফ্রি ব্লগ সাইট হতে পারে আপনার উন্নতির চাবিকাঠি – পর্ব 2 | ব্লগ সাইট কাস্টমাইজেশন

একটা ফ্রি ব্লগ সাইট হতে পারে আপনার উন্নতির চাবিকাঠি – পর্ব 2 | ব্লগ সাইট কাস্টমাইজেশন

ব্লগ সাইট কাস্টমাইজেশনঃ

যাইহোক, আমাদের ফ্রি ব্লগ সাইট করা হয়ে গেছে। এখন প্রয়োজন যথাযত কাস্টমাইজেশন কার। তাই আজ আমরা দেখাবো অনেক উপায়ে আয় করার জন্য কীভাবে ব্লগ সাইট কাস্টমাইজেশন করা যায়।

পূর্ববর্তী কিছু কথাঃ

বিগত পোস্টটিতে আমার আমাদের ব্লগ থেকে একটি আয়ে পথ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। তাহা হল এড পাবলিশ করে। ওখানে ভাল এড পাবলিশার মিডিয়া সম্পর্কে একটি পোস্টের লিংক ও কিভাবে Google AdSense একাউন্ট খুলতে হয় সেই পোস্টের লিংক দেওয়া আছে। যারা আগের পোস্ট টি পরেন নাই, তারা আগে সেটা পরে নিতে পারেন। আর ব্লগ এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ তৈরির দুয়েক দিনের মধ্যেই আয় শুরু হবে।

কীভাবে করবেন?

চলুন তাহেলে দেখা যাক আমার কীভাবে একটি ব্লগ সাইট কাস্টমাইজেশন করতে পারি। ব্লগ সাইটের জন্য Blogger ফ্রি থিম ব্যবহার করতে পারেন। এড়াও btemplates থেকেও ফ্রি থিম নিতে পারেন। আর থিম ইনস্টলেশন ও অন্যান্য কাস্টমাইজেশনের বিষয়ে ইউটিউবে অনেক টিউটোরিয়াল আছে। চাইলে সেগুলো দেখে নিতে পারেন। যেমন


Blog site customization | Blogger tutorial part- 2 by arif-bsl

মূলত আমার প্রধান  কাজ হল একটি ফ্রে ব্লগ সাইট থেকে আপনি কিভাবে অনেক গুলো উপায়ে আয় করতে পারেন সেই প্রক্রিয়া দেখানো মাত্র। তার জন্য যেটুকু কাজ প্রয়োজন তাহা নিয়ে আলোচনা করবো। তবে এর জন্য আরো কিছু বিষয় জানতে হবে। যেমন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, এসইও, প্রতিযোগী সাইট সম্পর্কে ধারনা রাখা ইত্যাদি।

এবার মূল কথায় আছি। ব্লগ এর লেভেল গুলো থাকবে সাইট বারে। আর মেইন নেভিগেশন বারে থাকবে পেইজ গুলো যেমন,

Navigation Bar

  • ClickBank এ কিছু অফার আছে চাকুরি বিষয়ক। আর আপনার ব্লগটির মাধ্যমে সেই অফার প্রমোট করতে পারেন। তাই একটি পেইজ হবে Job নামে।
  • দ্বিতীয়ত, প্রক্যেকটি বিষয়ের’ই গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিনিজ থাকে যেমন বইপত্র, সফটওয়্যার ইত্যাদি। তাই একটি পেইজ তৈরি করলাম Download নামে। যেখানে কিছু মূলবান বিষয় গুলো আমাদের একাউন্টের গুগল ড্রাইভে আপলোড করে লিংক লকার দ্বার আবদ্ধ করে রাখবো। অর্থাৎ কেউ সেই ফাইলটি ডাউলোড করতে গেলে আমি একটি কমিশন পাবো। সেটা হতে পারে ১ ডলার থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত। এটাকে বলা হয় Pay par download (PPD) সাইট থেকে আয়ের উপায়। আর এর জন্য সব থেকে জনপ্রিয় সাইট হলো sharecash। কিভাবে sharecash এ একাউন্ট খুলবেন! বিস্তারিত এই আর্টিকেলটিতে পাবেন। আর যে একাউন্ট খুলতে পারবেন সে সরাসরি রেজিস্ট্রেশন করতে ক্লিক করুন Register Now.
  • আরেকটা পেইজ হতে পারে Services যেখানে অলাইনে আপনার কোন সেবা প্রমোট করতে পারেন।
  • অন্যদিকে Amazon এমন একটি মার্কেট প্লেস যেখানে পাওয়া যায় না এমন কোন পন্য নাই। সুতারাং আপনি যে বিষয়ে ব্লগ লিখবেন ঐ বিষয়ের কোন না কোন পন্য Amazon অবশ্যই আছে। তাই আপনি আপনার ব্লগ এর পাশে ব্লগ রিলেটেড Amazon এর পোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। এবং সেই প্রডাক্ট সেল হলে আপনি নির্দিষ্ঠ হারে কমিশন পাবেন। কিংবা আপনার ব্লগ রিলেটেড যে প্রডাক্ট amazon আপনি চাইলে তার রিভিউ করে পন্য প্রমোট করতে পারেন।
  • এছাড়া অ্যনান্য পেইজগুলো তো থাকবেই যেমন About Us, Contact us, Condition ইত্যাদি।
  • সব থেকে মূল কথা হলো পোস্ট হতে হবে ইউনিক ও টারগেটেড। যে পোস্টের মাধ্যমে আপনার পেউজে ভাল ভিজিটর আসবে। অবশ্য সোসাল শেয়ারের মাধ্যমেও ভিজিটর পাওয়া যায়। তবে তার ফলাবর্তন আশানুরুপ না ও হতে পারে।

সমাপনীঃ

অবশেষে আমরা একটি ব্লগ সাইট কাস্টমাইজেশন করতে সক্ষম হয়েছি। আর বিগত পোস্টে বলা হয়েছিল যে, আমাদের আয়ের বিষয় গুলো নীর রংয়ের লেখা থাকবে। তবে এ পর্যন্ত পাঁচটি আয়ের উপায় পেয়েছি। সাথেই থাকুন, দেখি এর কোন প্রক্রিয়াটি চালুকরা যায়।

এর মধ্যে যেকোন সমস্যা হলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। আমরা আতি দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।

About Md Arifur Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: